পাতা

প্রকল্প

১.মূল প্রকল্পঃ.মোট ১৪৮ টি সমিতি । রেজিষ্ট্রকৃত ১১০ টি । মোট সদস্য সংখ্যা ৫৩২২ জন। সঞ্চয় =৭.১৩ লÿ টাকা। শেয়ার =৭.৪৭ লÿ টাকা।

(ক) ফসলী ঋণঃকৃষক সমবায় সমিতির উন্নয়নের লÿÿ্য এবং দেশের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে প্রাথমিক সমবায় সমিতির সদস্যগণকে ইরি বোরো, আউশ বি আমন, টি আমন ইত্যাদি বিভিন্ন খাতে ঋণ বিনিয়োগ ও আদায় করা হয় এবং সদস্যদের নিকট থেকে শেয়ার ও সঞ্চয় জমার মাধ্যমে তাদের পুঁুজি গঠন করা হয়। নিম্নে অগ্রগতি উলেস্নখ করা হলো।

সমিতির সংখ্যা

সদস্য সংখ্যা

ঋণ বিনিয়োগ

ঋণ আদায়

ঋণ বকেয়া

ঋণ আদায়ের হার

১৪৮টি

৩২৪৫ জন

১৩১.৪৫

১১৯.৩৩

১২.১২

৯১%

(খ) মেয়াদী ঋণঃ

 মেয়াদী ঋণের মাধ্যমে কৃষিতে আত্ম নির্ভরশীল হওয়ার জন্য এবং দেশে সেচ কার্যের মাধ্যমে  উৎপাদন বৃদ্ধির লÿÿ্য অত্র দপ্তর কর্তৃক গভীর নলকূপ ২৬ টি, অগভীল নলকুপ ২৫৫ টি, হসত্মচালিত নলকুপ ১৪০০ টি ঋণের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি হয়ে এবং কৃষকদের আত্ম নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উক্ত ঋণের মাধ্যমে কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে এবং উৎপাদনে কাঙ্খিত লÿ্যমাত্রা অর্জনে সফল হয়েছে। নিম্নে মেয়াদী ঋণের অগ্রগতি উলেস্নখ করা হলো।

 

সমিতির সংখ্যা

সদস্য সংখ্যা

ঋণ বিনিয়োগ

ঋণ আদায়

ঋণ বকেয়া

ঋণ আদায়ের হার

১৪৮টি

৮৬৫ জন

১২৫.৩৮

৬৩.৮২

৬১.৫৬

৫১%

 

(গ) আবর্তক কৃষি ঋণ কর্মসূচিঃ

সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পলস্নী উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পরিচালিত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের আরও ভাগ্যর উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লÿÿ্য ১৫.৫০ লÿ টাকা ঘূর্নায়মান তহবিল সৃষ্টির মাধ্যমে পুনঃপুন ঋণ প্রদান ও আদায়ের মাধ্যমে কৃষক এবং কর্মচারীদের আত্ম নির্ভরশীলতা নিশ্চয়তার লÿÿ্য উলেস্নখিত তহবিল প্রদান করা হয়েছে। যাহা মাঠ পর্যায়ে ঘুর্নায়মান তহবিলের মাধ্যমে ঋণ প্রদান ও আদায় করা হচ্ছে। এতে কৃষক ও কর্মচারীদের কাঙ্খিত সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। নিম্নে এই প্রকল্পের অগ্রগতি উলেস্নখ করা হলো।

 

সমিতির সংখ্যা

সদস্য সংখ্যা

ঋণ বিনিয়োগ

ঋণ আদায়

ঋণ বকেয়া

ঋণ আদায়ের হার

১৮টি

৩৬০ জন

৪২.৬২

৩০.৫১

১২.১১

৭৬%

 

 

২. সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসুচি (সদাবিক)ঃ

দারিদ্র বিমোচন বর্তমান সরকারের মূল লÿ্য। দারিদ্র বিমোচনের লÿÿ্য রাজস্ব বাজেট ভূক্ত এই কর্মসূচীটি বাসত্মবায়নের দায়িত্ব বাংলাদেশ পলস্নী উন্নয়ন বোর্ড হাতে নিয়েছে। দেশের ৬৪ টি জেলার ৪৪৬ টি উপজেলায় সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসুচি এর কার্যক্রম ১ম জুলাই/২০০৬ ইং তারিখ থেকে শুরম্ন হয়েছে। পলস্নী এলাকার বৃত্তহীন জনগোষ্ঠীকে  পুরম্নষ এবং মহিলাদের আনুষ্টানিক দলভহক্ত করে আত্ম কর্মসংস্থান  সৃষ্ঠি, জীবন যাত্রার গুনগত মান উন্নয়ন, প্রশিÿণ ও সঞ্চয় জমার মাধ্যমে আয়-বর্ধন মূলক কর্মকান্ড ভিত্তিক ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ সংরÿণ, মহিলাদের সচেতনতা  ও ÿমতায়নের সুযোগ সৃুষ্টি এই কর্মসূচীর মুল উদ্দেশ্য।

তাছাড়া বিআরডিবি’র বাসত্মবায়নাধীন দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প সমূহ সমাপ্তির পর ধারাবাহিক সেবা প্রদান নিশ্চিত করার জন্য পর্যায়ক্রমে কর্মসূচী ভহক্ত করার লÿÿ্য কর্মসুচিটি পরিচালিত হবে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় সদস্যদের সঞ্চয় জমা ৫.৮২ লÿ টাকা। নিম্নে অত্র প্রকল্পের অগ্রগতি উলেস্নখ করা হলো।

 

দলের সংখ্যা

সদস্য সংখ্যা

ঋণ বিনিয়োগ

ঋণ আদায়

ঋণ বকেয়া

ঋণ আদায়ের হার

৩৩টি

৬৮৯ জন

৮৫.৩২

৫১.৩৭

৩৩.৯৫

৭১%

৩. পল্লী প্রগতি প্রকল্পঃ

দারিদ্র বিমোচনের লÿÿ্য প্রকল্প ভুক্ত সদস্য/সদস্যদের নিয়ে সংগঠন সৃষ্টি, সচেতনতা বৃদ্ধি, পেশাভিত্তিক দÿতা বৃদ্ধি, আয় ও  স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের নিজস্ব পুঁজির সহায়ক হিসাবে ঋণ সুবিধা প্রদান এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। পলস্নী প্রগতি প্রকল্পের ঋণ কার্যক্রমের লÿ্য ও উদ্দেশ্য হলোঃ-

ক. প্রকল্প ভুক্ত উপকারভোগী সদস্য/সদস্যাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্য নিজস্ব পুঁজির সহায়ক হিসেবে ফলপ্রসু ঋণ কার্যক্রম চালু করা

খ. প্রকল্পের স্বয়ম্ভরতা অর্জনের লÿÿ্য আবর্তক ঋণ তহবিলের অব্যাহত ব্যবহার নিশ্চিত করণ এবং এর বৃদ্ধি সাধন।

গ. প্রকল্পের আওতায় ঋণ বিতরণ ও আদায় প্রক্রিয়ায় জড়িতদের সুষ্ঠ ধ্যান ধারনা প্রদানের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম সহজবোধ্য, গতিশীল ও ফলপ্রসু করে তোলা।

ঘ. পলস্নী অঞ্চলে প্রাপ্ত ব্যবহার যোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানব সম্পদ সমন্বিতভাবে ব্যবহার করে গ্রাম অঞ্চরে আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধন।

ঙ. পলস্নীর মানব সম্পদ উন্নয়ন করে দÿতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের উৎপাদন ÿমতা বৃদ্ধি করা।

চ. নারীর ÿমতায়নের মাধ্যমে পারিবারিক এবং সামাজিক ÿÿত্র সহ সকল কর্মকান্ডে মহিলাদের সম্পৃক্ততা, অংশগ্রহণ এবং কার্যকর ভূমিকা পালন নিশ্চত করা।

ছ. পলস্নী অঞ্চলে ব্যপকভাবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আয় বর্ধক কার্যত্রম জোরদার করণের মাধ্যমে গ্রাম থেকে শহরে অভিগমনের প্রবণতা হ্রাস করা।

জ. প্রতিটি গ্রামে/ মৌজায় অমত্মত তিন ধরনের দল গঠন করা হবে। যেমনঃ ভূমিহীন ও বর্গাচাষী দল, প্রামিত্মক ও ক্ষুদ্র চাষীদের দল এবং মহিলাদের দল। দল যথাসম্ভব সমমনা এবং নিকট বর্তী প্রতিবেশিদের নিয়ে গঠিত হবে। প্রতি দলের সদস্য সংখ্যা হবে ১২ হতে ২০ জন।

  বাংলাদেশ পলস্নী উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ইউনিয়নে পলস্নী প্রগতি প্রকল্পটি চালু রয়েছে। যাহাতে ঘূর্ণায়মান তহবিল হিসেবে ১৪.৩৮ লÿ টাকা সরকার কর্তৃক প্রদান করা হয়েছে। উক্ত টাকা ঋণের মাধ্যমে বিতরণ করে উলেস্নখিত ইউনিয়নের উপকার ভোগী সদস্য/সদস্যাদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে।

 

উক্ত প্রকল্পের আওতায় সদস্যদের সঞ্চয় জমা ২.২২ লÿ টাকা। নিম্নে অত্র প্রকল্পের অগ্রগতি উলেস্নখ করা হলো।

 

দলের সংখ্যা

সদস্য সংখ্যা

ঋণ বিনিয়োগ

ঋণ আদায়

ঋণ বকেয়া

ঋণ আদায়ের হার

২১টি

৪২৭ জন

৪৫.৭৪

৩০.৫৭

১৫.১৭

৮১%

 

৪. অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা প্রকল্পঃ-

 

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৪২ বছর, কিন্তু আজও মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগও অবদানের তুলনায় তাদের তেমন কোন মূল্যায়ন ও সামাজিক পূনর্বাসন হয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ট মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্রীয় সহয়তা না পাওয়ায় অথবা কিঞ্চিৎ পেলেও তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। এসমসত্ম কারনে অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা ধীরে ধীরে অসচ্ছল হয়ে পড়ে। অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ পরিবার গুলোর অনেকেই আত্ম নির্ভরশীল হয়ে সম্মান জনক জীবন যাপনে আগ্রহী। মুক্তিযোদ্ধাদের দারিদ্র্য লাঘব করে তাদের পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর প্রতিশ্রম্নতি অনুসারে ‘‘অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের জন্য প্রশিÿণ এবং আত্ম-কর্মসংস্থান কর্মসুচী’’ শীর্ষক কর্মসূচী গৃহীত হয়েছে।

 

          উক্ত কর্মসূচী সুষ্ঠ ভাবে বাসত্মবায়নের লÿÿ্য এই নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। এই নীতিমালার উৎস্য হচেছ পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ কর্তৃক জারীকৃত ‘‘সরকারী পর্যায়ে পরিচালিত ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসুচীর আওতায় আবর্তক ঋণ তহবিল ব্যবহারের সমন্বিত নীতিমালা’’ এবং উক্ত সমন্বিত নীতিমালার সাথে বিবেচ্যনীতিমালার কোনরূপ বিরোধ দেখা দিলে সমন্বিত নীতিমালা প্রাধান্য পাবে।

 

          এই কর্মসূচীর উদ্দেশ্য হলো-

(ক) অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তাদেরকে আত্ম-নির্ভরশীল করে তোলা এবং এর মাধ্যমে তাদের দারিদ্র্য লাঘব করা।

(খ) অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিÿণের মাধ্যমে দÿতা বৃদ্ধি পূর্বক আয় সঞ্চারণ ও আত্ম কর্মসংস্থান মূলক প্রকল্প গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করা।

 

নিম্নে অত্র প্রকল্পের অগ্রগতি উলেস্নখ করা হলো।

দলের সংখ্যা

সদস্য সংখ্যা

ঋণ বিনিয়োগ

ঋণ আদায়

ঋণ বকেয়া

ঋণ আদায়ের হার

-

১৫ জন

১.৯৫

.৬৪

১.৩১

৪৮%

 

 

 

৫. একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্পঃ-

উক্ত প্রকল্প সরকারী ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত রাজস্ম ভুক্ত একটি প্রকল্প এ প্রকল্পের আওতার যারা বাংলাদেশের প্রতি উপজেলার ৪(চার) টি ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডকে দুই ভাগে ভাগ করে ১(এক) ভাগে একটি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি করে ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি এবং ৪টি ইউনিয়নে মোট ৩৬টি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ঋণ করে কার্যক্রম শুরা করা হয়েছে। প্রতি সমিতিতে সদস্য মহিলা-৪০জন ও পুরুষ-২০জন মোট ৬০ জন। প্রত্যেক সদস্য প্রতি সপ্তাহে ১০ থেকে ৫০ টাকা সঞ্চয় জমা দিয়ে মাসে ২০০/= টাকা জমা করিতে সরকার মাস শেষে ২০০/= টাকা উৎসাহ সঞ্চয় অনুদান মূল ধন গঠনের সহায়তা করবেন ট্রেড ভিত্তিক ঋণ প্রদান করে দারিদ্র মানুষের উন্নয়নই প্রকল্পের মূক্ষ উদ্দেশ্য।  


Share with :

Facebook Twitter